নারীত্ব
কখন মাতা,ভগ্নি বা কন্যারুপে
আস জীবনে -
স্নেহের বাঁধনে, আদরে, সোহাগে পিতৃ ক্রোড়ে
ফ্রক পরে পিতা সদনে,
![]() |
| Women's present & past |
কখন মাতা,ভগ্নি বা কন্যারুপে
আস জীবনে -
স্নেহের বাঁধনে, আদরে, সোহাগে পিতৃ ক্রোড়ে
ফ্রক পরে পিতা সদনে,
আল্লাদে গদগদ শুভ্র
সরলা শিশু:-
সেজে মেম,তোমার যৌবন রসে টইটুম্বুর,
মুচকি হাসি, স্ফিত কাশি-
তোমার রসায়ন, বিস্ফোরণ, শরীরের পদে-পদে ।
প্রেম রসে কর প্রেমিকের বাঞ্চা পুরণ
প্রিয়তমা, জীবন সাথী -
জ্বালিয়ে প্রেমের বাতি।
সোহাগ বিলিয়ে পুর্ন রাতি,
পতি ভজনায় দেহ কর উন্মুক্ত, দিতে পার স্বামীর মনোরঞ্জনে:
জানে, সকল লোকে জানে।
জ্বালিয়ে প্রেমের বাতি।
সোহাগ বিলিয়ে পুর্ন রাতি,
পতি ভজনায় দেহ কর উন্মুক্ত, দিতে পার স্বামীর মনোরঞ্জনে:
জানে, সকল লোকে জানে।
দশ মাস
দেহে বহন
কর পৃথিবীর পথে শিশু
তুমি, তুমিই
জন্মদাত্রী, জননী- মাতা
শত রাত্রি জেগে কাটাও সন্তান লালনে, ভিজা কাথা
তুমি শ্রেষ্ঠা
তুমি পথদোষ্টা
মা,মাগো- মা, আমার জন্মদাত্রী জননী
তোমার তুলনা,
ভুবনে হয় না,
সকল নামের সেরা নাম:
মা, মাগো, মা -
এ মোর ক্ষুদ্র মনের নারী বন্দনা।
পোষাকহীন দেহ,ক্লান্ত ঘামে ভেজা,
ভালবাসব,হাসব,পতি আমি তোমার
দেব প্রেমের কঠিন সাজা।
ওগো আমার চির সাথী,
জ্বালিয়ে দাও মোর জীবন বাতি।
যেন মায়ের ক্রোড়ে ছোট যীশু--
হ্যা,
শত রাত্রি জেগে কাটাও সন্তান লালনে, ভিজা কাথা
তুমি শ্রেষ্ঠা
তুমি পথদোষ্টা
মা,মাগো- মা, আমার জন্মদাত্রী জননী
তোমার তুলনা,
ভুবনে হয় না,
সকল নামের সেরা নাম:
মা, মাগো, মা -
এ মোর ক্ষুদ্র মনের নারী বন্দনা।
অসীম অনন্ত সীমাহীন মায়া
কাব্য তুমি,
পদ্য তোমার উষ্ণ হাত,
আমার শান্ত দেহ,
মন নিরব-নিথর,
কায়াহীন, নিদ্রাহীন এক রাত।
বাগানে বাগানে,হলদে,
লোহিত ফুটন্ত ফুল রাশি রাশি
কদাচিৎ কান্না,
আবার মুচকি হাসি।
বেণু কেন বাজে না?
বৌ কেন সাজে না?
কলমে লিখে আমার নাম,
পত্র পাঠাও ভরে খাম।
মন বাঞ্চা কমতি,
অপ: শিরনাম,
ভন্ড সকল পন্ড:
আমার হৃদয়ের দাম।
আমি দিব আমার প্রেমের অনন্ত পরশ
কম্পিত মন, উষ্ণ শিহরণ,
জোস্না,স্নিগ্ধ আলো,মাতাল সমিরণ,
হীয়া মন: অবিরাম কাদেঁ,
পড়েছি তোমার প্রেমের ফাঁদে।
ভালবাসা দেও,
বাঁকা নয়নে চাও।
সুরমা,যমুনা; তিস্তা গোমতী,
কোমল মন, চিত্ত বহে সুমতি।
শ্রাবণ বরষণ শেষে,
একাদশী চাঁদ, বিহঙ্গ কৃষ্ণ কলি,
আবষ্ট দেহ,চুম্বন,লেহন,
বাগপটু ভালবাসি বলি।
আবেশ,নিরবেশ নিশি প্রায় শেষ,
কম্পিত মন, উষ্ণ শিহরণ,
জোস্না,স্নিগ্ধ আলো,মাতাল সমিরণ,
হীয়া মন: অবিরাম কাদেঁ,
পড়েছি তোমার প্রেমের ফাঁদে।
ভালবাসা দেও,
বাঁকা নয়নে চাও।
সুরমা,যমুনা; তিস্তা গোমতী,
কোমল মন, চিত্ত বহে সুমতি।
শ্রাবণ বরষণ শেষে,
একাদশী চাঁদ, বিহঙ্গ কৃষ্ণ কলি,
আবষ্ট দেহ,চুম্বন,লেহন,
বাগপটু ভালবাসি বলি।
আবেশ,নিরবেশ নিশি প্রায় শেষ,
পোষাকহীন দেহ,ক্লান্ত ঘামে ভেজা,
ভালবাসব,হাসব,পতি আমি তোমার
দেব প্রেমের কঠিন সাজা।
ওগো আমার চির সাথী,
জ্বালিয়ে দাও মোর জীবন বাতি।







নারীত্ব
ReplyDeleteকখন মাতা,ভগ্নি বা কন্যারুপে
তুমি আস জীবনে -
স্নেহের বাঁধনে, আদরে, সোহাগে পিতৃ ক্রোড়ে
ফ্রক পরে পিতা সদনে,
আল্লাদে গদগদ শুভ্র সরলা শিশু:-
আবার তুমি উন্নত যৌবন নিয়ে
রসে টলমল নারী
প্রেমিকা-বিলাও প্রেম,
সেজে মেম,
তোমার যৌবন রসে টইটুম্বুর, মুচকি হাসি, স্ফিত কাশি-
তোমার রসায়ন, বিস্ফোরণ, শরীরের প্রতি পদে ।
প্রেম রসে কর প্রেমিকের বাঞ্চা পুরণ
প্রিয়তমা, জীবন সাথী -
জ্বালিয়ে প্রেমের বাতি।
সোহাগ বিলিয়ে পুর্ন রাতি,
পতি ভজনায় দেহ কর উন্মুক্ত, দিতে পার স্বামীর মনোরঞ্জনে:
জানে, সকল লোকে জানে।
দশ মাস দেহে বহন কর পৃথিবীর পথে শিশু
gv‡qi ey‡K Rwo‡h †hb †QvU hxï
হ্যা,
তুমি, তুমিই জন্মদাত্রী, জননী- মাতা
শত রাত্রি জেগে কাটাও সন্তান লালনে, ভিজা কাথা
তুমি শ্রেষ্ঠা
তুমি পথদোষ্টা
মা,মাগো- মা, আমার জন্মদাত্রী জননী
তোমার তুলনা,
ভুবনে হয় না,
সকল নামের সেরা নাম:
মা, মাগো, মা -
এ মোর ক্ষুদ্র মনের নারী বন্দনা।
This comment has been removed by a blog administrator.
ReplyDeleteThanks
ReplyDeleteছায়া প্রেম
ReplyDeleteঅসীম অনন্ত সীমাহীন মায়া
কাব্য তুমি,
পদ্য তোমার উষ্ণ হাত,
আমার শান্ত দেহ,
মন নিরব-নিথর,
কায়াহীন, নিদ্রাহীন এক রাত।
বাগানে বাগানে,হলদে,
লোহিত ফুটন্ত ফুল রাশি রাশি
কদাচিৎ কান্না,
আবার মুচকি হাসি।
বেণু কেন বাজে না?
বৌ কেন সাজে না?
কলমে লিখে আমার নাম,
পত্র পাঠাও ভরে খাম।
মন বাঞ্চা কমতি,
অপ: শিরনাম,
ভন্ড সকল পন্ড:
আমার হৃদয়ের দাম।
আমি দিব আমার প্রেমের অনন্ত পরশ
কম্পিত মন, উষ্ণ শিহরণ,
জোস্না,স্নিগ্ধ আলো,মাতাল সমিরণ,
হীয়া মন: অবিরাম কাদেঁ,
পড়েছি তোমার প্রেমের ফাঁদে।
ভালবাসা দেও,
বাঁকা নয়নে চাও।
সুরমা,যমুনা; তিস্তা গোমতী,
কোমল মন, চিত্ত বহে সুমতি।
শ্রাবণ বরষণ শেষে,
একাদশী চাঁদ, বিহঙ্গ কৃষ্ণ কলি,
আবষ্ট দেহ,চুম্বন,লেহন,
বাগপটু ভালবাসি বলি।
আবেশ,নিরবেশ নিশি প্রায় শেষ,
পোষাকহীন দেহ,ক্লান্ত ঘামে ভেজা,
ভালবাসব,হাসব,পতি আমি তোমার
দেব প্রেমের কঠিন সাজা।
ওগো আমার চির সাথী,
জ্বালিয়ে দাও মোর জীবন বাতি।
ReplyDeleteকখন মাতা,ভগ্নি বা কন্যারুপে
আস জীবনে -
স্নেহের বাঁধনে, আদরে, সোহাগে পিতৃ ক্রোড়ে
ফ্রক পরে পিতা সদনে,
আল্লাদে গদগদ শুভ্র সরলা শিশু:-
আবার তুমি উন্নত যৌবন নিয়ে
রসে টলমল নারী
প্রেমিকা-বিলাও প্রেম,
সেজে মেম,
তোমার যৌবন রসে টইটুম্বুর,
মুচকি হাসি, স্ফিত কাশি-
তোমার রসায়ন, বিস্ফোরণ, শরীরের পদে-পদে ।
প্রেম রসে কর প্রেমিকের বাঞ্চা পুরণ
প্রিয়তমা, জীবন সাথী -
জ্বালিয়ে প্রেমের বাতি।
সোহাগ বিলিয়ে পুর্ন রাতি,
পতি ভজনায় দেহ কর উন্মুক্ত, দিতে পার স্বামীর মনোরঞ্জনে:
জানে, সকল লোকে জানে।
দশ মাস দেহে বহন কর পৃথিবীর পথে শিশু
যেন মায়ের ক্রোড়ে ছোট যীশু--
হ্যা,
তুমি, তুমিই জন্মদাত্রী, জননী- মাতা
শত রাত্রি জেগে কাটাও সন্তান লালনে, ভিজা কাথা
তুমি শ্রেষ্ঠা
তুমি পথদোষ্টা
মা,মাগো- মা, আমার জন্মদাত্রী জননী
তোমার তুলনা,
ভুবনে হয় না,
সকল নামের সেরা নাম:
মা, মাগো, মা -
এ মোর ক্ষুদ্র মনের নারী বন্দনা।
১)
ReplyDeleteসুর আছে- কথা নেই
দেহ আছে- মন নেই…
শলম আছে কনডম নেই
মেঘ আছে বর্ষণ নেই
আমি আছি- তুমি পাশে নেই ।।
২)
আজ মেঘের দল খেলিছে ছক্কা
দাদুর হাতে বেনসন, কোথা সেই হুক্কা।
মোটা পেড়ে খদ্দরহীনে দাদির গাটে নেই মাজন..
সাদা সমলিন তলে লাল ব্রা এ কি সাজন!!
৩)
আমাকে ছারা তুমি বাঁচতে
পারলে আমি কেন নয়-
তোমার দেহ, পতঙ্গে চেটেছে
গোটা পাঁচ ছয় ।।
৪)
আমার মাঠে ঘাস থাকবে
কীট কখন নয়-
মনের পাশে মন
কীট দহনে অংগার হয়।
৫)
ছেরে গেলে তুমি
তাই মেঘেরা পালায় সাগর জলে,
সকল স্বপ্ন বিফলে।
৬)
প্রথম যেদিন ঠোঁট ছুয়েছিলাম-
আপাদমস্তক কেঁপেছিল পুলকে থরথর…..
আজও শরীর কাঁপছে, ভেঁজা কাস্টা ঘামে
শরীরে একশত তিন ডিগ্রি জ্বর।
৭)
যদি তোমার শরীর ছুঁই,
মোর মদ্ধে নাহি রই মুই।
৮)
যদি ঠোঁটে মিশে ঠোঁট-
অাঁধারে খুঁজি স্তনের বোট,
সাত জনম জন্মাব তোমায় ছুঁতে
মরিব দিনে জন্মাব প্রতি রাতে।
৯)
ছেড়ে যাওয়া যত সহজ হয়
ভূলে যাওয়া মোটেও নয়।
১০)
শরীর যখন শরীর খেলে
প্রেম ও ঘৃণা এক চক্রে মিলে।
১১)
যারা ভূলে যায় তারা ভন্ড
প্রেম তাদের নয়
ওরা পতিতা সামিল
মন ছয় নয় ।